ADS

বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ – ইতিহাস

🕌 বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ – ইতিহাস

অবস্থান: পল্টন, ঢাকার হৃদপিণ্ডে
নির্মাণ শুরু: ১৯৬০
উদ্বোধন: ১৯৬৮
ধারণক্ষমতা: আনুমানিক ৩০,০০০ – ৪০,০০০ মুসল্লি
বিশেষত্ব: এটি বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ এবং আকৃতিতে মক্কার কাবা শরীফের আদলে নির্মিত।


নির্মাণের পটভূমি

১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির পর ঢাকাকে পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী ঘোষণা করা হলে এখানে একটি বিশাল কেন্দ্রীয় জাতীয় মসজিদের প্রয়োজন দেখা দেয়।
১৯৫৯ সালে পাকিস্তান সরকারের উদ্যোগে একটি জাতীয় মসজিদ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন তৎকালীন ধর্মমন্ত্রী খাজা শাহাবুদ্দিন


নকশা ও স্থাপত্য

বায়তুল মোকাররমের স্থাপত্যশৈলীতে ইসলামের প্রাচীন ও আধুনিক নকশার চমৎকার সমন্বয় আছে।

🧱 স্থপতি






 

প্রকল্পের স্থপতি ছিলেন এ. এ. মান্নান
তিনি মসজিদের মূল ভবনের আকৃতি কাবা শরীফের অনুপ্রেরণায় বর্গাকৃতি রাখেন।

🕌 স্থাপত্য বৈশিষ্ট্য

  • বিশাল বর্গাকার মূল নামাজ হল

  • কাবা শরীফের মতো শীর্ষে মিনার ছাড়া প্রধান ঘনক-আকৃতি

  • বাহিরে বড় বড় খিলান

  • বিস্তৃত উন্মুক্ত চত্বর

  • আধুনিক ও আরবি স্থাপত্যের মিশ্রণ

  • ৮ তলা সমান উচ্চতার মূল গম্বুজ কাঠামো


নির্মাণ ও উন্নয়ন ইতিহাস

  • ১৯৬০ সালে নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

  • ১৯৬৮ সালে প্রথম ধাপের নির্মাণ শেষ হয় এবং মসজিদটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়।

  • স্বাধীনতার পর বিভিন্ন দফায় সংস্কার ও সম্প্রসারণ করা হয়।

  • বর্তমানে এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় স্থাপনাগুলোর একটি।


ধর্মীয় ও জাতীয় গুরুত্ব

  • এটি বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ

  • ঈদ, জুমা, তারাবি, শবেকদর ও বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠানে লাখো মুসল্লি সমবেত হয়।

  • দেশের গুরুত্বপূর্ণ ইসলামিক কার্যক্রম এখান থেকেই পরিচালিত হয়।

  • পাশেই ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।


পর্যটন ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব

  • দেশি–বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণের অন্যতম স্থান।

  • স্থাপত্য, অবস্থান এবং কাবা আদলে নকশার কারণে এটি বিশেষভাবে স্বতন্ত্র।

Post a Comment

0 Comments